গুগলকে বাংলাদেশে অফিস ও ডাটা সেন্টার স্থাপনের আহ্বান জানালেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১৬:২৩  

সাইবার জায়ান্ট গুগলকে বাংলাদেশে অফিস স্থাপন, ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ডাটা নিরাপত্তা প্রদান, বাংলা ভাষার অধিকতর উৎকর্ষতার প্রতি গুরুত্বারোপ ও ইংরেজীর মতো বাংলায় মেইলিং এড্রেস প্রবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। গুগল এশিয় প্যাসিফিক লিমিটেডের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের গভার্নমেন্ট এফেয়ার্স এন্ড পাবলিক পলিসি ম‌্যানেজার ক‌‌্যালি গার্ডনার বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সাথে তার বাংলাদেশ সচিবালয়স্থ দফতরে সাক্ষাতে গেলে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাতকালে তারা দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি বিশেষ করে গুগলের নিরাপদ ব্যবহা, ডিজিটাল প্রশিক্ষণ, বাংলা ডিজিটাল কনটেন্ট উন্নয়নসহ গুগলকে আরও জনবান্ধব করার বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

উত্তরে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মাট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিদ্যমান শুন্যতা নিরসনে গুগল যে কোন পরামর্শ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ক্যালি গার্ডনার। তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাভাষার উদ্ভাবক হিসেবে এক্ষেত্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম মুখপাত্র ম. শেফায়েত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রী এ বিষয়ে সম্ভাব্য সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

সূত্রমতে, সৌজন্য সাক্ষাতের আলাপচারিতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, মানুষ গুগলকে নানা তথ‌্য উপাত্তের অন‌্যতম মাধ‌্যম হিসেবে ব‌্যবহার করে আসছে। ২০০৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল সংযুক্তি সম্প্রসারণের ফলে গুগলসহ ডিজিটাল প্রযুক্তি মানুষের জীবন ধারা পাল্টে দিয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন‌্য গুগলকে বাংলা ভাষায় অধিকতর তথ‌্য উপাত্ত, স্পিস টু টেক্সট, টেক্সট টু স্পিস সেবা, মেইলিং সেবা, বাংলায় প্রচলিত অনুবাদসহ বাংলা ভাষার অধিকতর শুদ্ধতার জন‌্য প্রয়োজনীয় উদ‌্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, এতে গুগল আরও লাভবান হবে। শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে টেক্সট বুকসমূহের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে প্রশিক্ষণে গুগলের সহযোগিতা কামনা করেন বাংলাদেশে শিক্ষার ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির এই পথপ্রদর্শক।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে এরইমধ্যে ৬৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কর্মসুচি চালু করা হয়েছে এবং আরও ১০০০ টি বিদ‌্যালয়ে চালু করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। মন্ত্রী অপপ্রচারসহ বির্তকিত কনটেন্ট অপসারণে কার্যকর উদ‌্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং এ ব‌্যাপারে সহযোগিতা প্রত‌্যাশা করেন।